নওগাঁয় রাস্তায় খরের ভুসি রাখাকে কেন্দ্র করে মারামারি:থানায় অভিযোগ


এ.বি.এম.হাবিবুর রহমান : নওগাঁ সদর উপজেলার বর্ষাইল ইউনিয়নে রাস্তায় খরের ভুসি রাখাকে কেন্দ্র করে প্রথমে মহিলাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি, পরবর্তীতে ঝগড়াঝাটি এরপর মারামারীর রুপ নেয়। এমনি অভিযোগ এসেছে সাংবাদিকদের হাতে।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৪মে) দুপুরে উপজেলার মারমা-মল্লিকপুর গ্রামের মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন এর স্ত্রী রেশমা বানু সরকারি রাস্তায় কিছু খরের ভুসি রৌদ্রে শুকানোর জন্য রাখলে,পার্শবর্তী আবু বক্কর সিদ্দিকের স্ত্রী তাহেরা বানুর অসুবিধা হচ্ছে বলে, রেশমা বানুকে দেখে বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলতে থাকে। এতে রেশমা বানু প্রতি উত্তর দিলে শুরু হয়ে ঝগড়াঝাটি। এরপর অশ্লীল গালিগালাজ। রেশমা বানু এখনি ভুসি নিয়ে যাচ্ছি বলে, গালাগালি করতে নিষেধ করলে, তাদের আরো উগ্রতা বেড়ে যায় এর মধ্যে রেশমাবানুর স্বামী মোয়াজ্জেম হোসেন মাঠে কাজের উদ্দ্যেশে বের হলে, রাস্তায় তাকে দেখা মাত্রই আবু বক্কর সিদ্দিক,তার ছেলে আবু তারেক,তাহেরা বানু,শিল্পী,সুমাইয়া সকলে মিলে আক্রমণ করেন এবং এলোপাতাড়ি ভাবে মারপিট করতে লাগে।  এতে মোয়াজ্জেম হোসেন ও তার স্ত্রী চিৎকার করলে, সেখানে তাদের ছেলে আশরাফুল ইসলাম আশিক এগিয়ে আসলে,আবু তারেক তাকে হাসুয়া দিয়ে কোপ মারলে,সে বা্য়ে হাত দিয়ে তা প্রতিহত করে, এতে আশিকের বৃদ্ধাঙ্গলি কেটে রক্তাক্ত জখম প্রাপ্ত হয়। স্থানীয় লোকজন এসে মারামারি ভেঙ্গে দিয়ে, আহতদের প্রথমে স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা করেন। পরবর্তীতে তারা নওগাঁ সদর হাঁসপাতালে চিকিৎসা নেয়। বিষয়টি স্থানীয় মন্ডল,মাতববর স্থানীয় ভাবে মিমাংসার কথা বলেন,সে মতাবেক মোয়াজ্জেম হোসেন ও তার স্ত্রী সন্তান অপেক্ষা করেন।অন্যদিকে আবু বক্কর ও তার স্ত্রী, ছেলে মেয়েরা হাঁসপাতালে ভর্তি হয়ে, নওগাঁ সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।এতে বিষয়টি স্থানীয় ভাবে মিমাংসা হয় না। পরবর্তীতে উভয় পক্ষের অভিযোগ নওগাঁ সদর থানায় জমা হয়।

ভুক্তভোগী আশরাফুল ইসলাম আশিক কাছে জানতে চাইলে সে জানায়,বিবাদীরা অযথা বার বার আমাদের সাথে গোন্ডগোল লাগার পাঁয়তারা করে। খরের ভুসি সরকারি রাস্তায় শুকানোর জন্য তার মা রেখেছিল,সেটাও তারা সহ্য করতে পারে না। বিবাদীরা এখনো তাদেরকে মেরে ফেলার জন্য হুমকি অব্যহত রেখেছে বলে জানান।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন