এ.বি.এম.হাবিবুর রহমান :
নওগাঁয় পূর্ব-শত্রুতার জেরে এক পলিটেকনিক শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে গুরুত্বর জখম করেছে। এ ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীর বাবা নওগাঁ সদর মডেল থানায় ৬জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৭-৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, আহত শিক্ষার্থী মো.কাওসার (১৮) নওগাঁ সরকারি পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের এনভায়ার্মেন্ট বিভাগের প্রথম সেমিস্টারের ছাত্র। সে আরজি নওগাঁ গ্রামের হাসিনা ছাত্রাবাসে থাকতো। ছাত্রাবাসে বড় ভাই-ছোট ভাইকে সম্মান করা নিয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছিল।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার সময় খাবার নিতে ছাত্রাবাসের নিচে নামলে, পূর্বে পরিকল্পিত ভাবে, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের পাশের রাস্তায় তাঁকে ও তাঁর বড় ভাই মো. সিদরাতুল মুনতাহা সান (২১) কে ঘিরে ধরে অভিযুক্তরা। অভিযোগে বলা হয়, লাঠি, লোহার রড, হাসুয়া, চাকু, ছোড়া ও বড় ছুরিসহ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তারা দুজনকে মারধর শুরু করে।
একপর্যায়ে ধারালো বড় ছুরি দিয়ে মো. কাওসারের পেটে আঘাত করে এতে তাঁর পেটের বাম পাশে ছুরিকাঘাত করলে,তার নাড়ীভুড়ি বের হয়ে গুরুতর জখম হয়। তাঁকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তাঁর বড় ভাই সানকেও মাথায় উপূর্পূরি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।
পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন ও সহপাঠীরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। আহত দুজনকে প্রথমে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কাওসারের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেখানে তার অবস্থা আশংকা জনক,হলেও বর্তমানেও তার চিকিৎসা চলছে বলে জানা যায়।
এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর বাবা মো. রেজাউল করিম নওগাঁ সদর মডেল থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন। তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েন প্রশাসনের কাছে। এখন পর্যন্ত কোন আসামীকে গ্রেফতার করতে পারে নাই পুলিশ।
এ বিষয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানার পুলিশ জানায়, এজাহার গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
