মুরাদনগরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা মিলেছে


হাফেজ নজরুল, মুরাদনগর : কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ডিআর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ময়নাল হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি।

গত শনিবার (২৩ মে) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (বিশেষ শিক্ষা শাখা) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বিদ্যালয়ে গিয়ে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তদন্ত শেষে তিনি অভিযোগের কিছু অংশের সত্যতা পাওয়ার কথা জানান।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ কেলেঙ্কারি, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়সহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশনের নির্দেশনায় তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, “ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এসেছে। তদন্তে আমরা কয়েকটি অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি। তাকে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হবে।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ময়নাল হোসেন বলেন, “কুমিল্লা থেকে সার্টিফিকেট আনতে যাতায়াত খরচ বাবদ কিছু শিক্ষার্থীর কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে।”

এ বিষয়ে কয়েকজন অভিভাবক বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষক মইনুল হোসেন কে দ্রুত এ বিদ্যালয় থেকে অপসারণ করে যে সকল বিষয়ের শিক্ষক ঘাটতি রয়েছে সে সকল বিষয়ের শিক্ষক এখানে পদায়ন করার দাবি জানান।

উল্লেখ্য, গত ১০ এপ্রিল কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায়  বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশনের নজরে এলে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বিদ্যালয়ে এসে অভিযোগের সত্যতা পান।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন