সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতারণার ফাঁদ পেতে অপহরণ করে হত্যার চেষ্টা



নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনব উপায়ে প্রতারণার ফাঁদ পেতে ভালোবাসার অভিনয় করে বাসায় ডেকে এনে প্রথমে অপহরণ করে মোটা অংকের মুক্তিপণ দাবি অতঃপর মুক্তিপণ দিতে অপারগ/অস্বীকার করলে শারীরিকভাবে অমানুষিক নির্যাতন এমনকি হত্যার চেষ্টাও করা হয়। 


প্রতিহিংসা আর অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্যেই যেন সৃষ্টিকর্তা তাদের সৃষ্টি করে পাঠিয়েছেন এই দুদিনের পৃথিবীতে।  এই ধরনের ঘৃণ্য ধারাবাহিক কাজের জন্য অসহায় হয়ে পড়েছেন প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো। 

প্রতারকের চক্রটি কখনো চলচিত্র জগতের নায়ক নায়িকা  থেকে শুরু করে খলনায়ক  ডিপজলের পরিচয় বহন করে থাকে তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য।  আবার কখনো কখনো ডিপজল কন্যা এলিজা মনোয়ার ও নিশাত আফরিন এমিলা পরিচয়ও বহন করে।

গোপনসূত্রে জানা যায়, নিশাত আফরিন এমিলার সাথে অনেকের সম্পর্ক রয়েছে। তার গর্ভে সন্তান আসার পরে তাকে আর গ্রহণ করেনি তার প্রথম সম্পর্কের নায়েক শাকিল।সেখান থেকে তিনি ধীরে ধীরে গ্রাম থেকে শহরে তার ভালোবাসা পৌছে দিচ্ছেন।কখোনো সে এবং তার কোনো পরিচিত কেউ রিলসের মাধ্যমে বিভিন্ন ফেক আইডি দিয়ে ইমোশনাল বার্তা প্রদান করে প্রেমের প্রলোভন প্রদান করে।

 সোশাল মিডিয়াকে প্রতারণার ফাদ হিসেবে বেছে নিয়েছে। ফেক আইডি দিয়ে বিভিন্ন প্রকার প্রেমের ইমোশনাল বার্তার রিলস নাটকের অন্যতম অংশ। এত কিছু রেখে এখন তার হাতিয়ার সোশাল মিডিয়ায় ফাদ। বিগত কয়েক বছর আগে সাংবাদিক মাহাবুব হাওলাদারের পরিবারের সদস্য সৎ ফুফু আসমা আক্তারকে দিয়ে মাথায় আঘাত করিয়ে রক্তস্রোত বসিয়ে দিয়ে হত্যা চেস্টা করতে চয়েছে। আল্লাহর রহমতে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হোওয়ার পর তিনি প্রাণে বেচে যান।

 উদ্দেশ্য ছিলো প্রতিহিংসামূলক হত্যা করা।  প্রতিহিংসা হলো তুমি কেন বড় হবে এই ধারাবাহিকতায়। কিছু লোক আছে আমাদের এই সমাজে এমন। যারা অন্যের ভালো দেখতে পারে না। নিশাত আফরিন এমিলার বাবা এক সময় ছিলো সাংবাদিক মাহাবুব হাওলাদারদের বাড়ির সাটার জানালার মিস্ত্রি কখোনো বা জমি বিক্রির দালাল।  নিজাম শিকদার তার অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে সাংবাদিক মাহাবুব হাওলাদারদের পরিবারে তার সৎ দাদিকে প্রবেশ করায় নিজাম শিকদারের হাতিয়ার হিসেবে। মাহাবুব হাওলাদারের দাদাকে দিয়ে তার সৎ দাদি তার নিজস্ব ফায়দা এবং নিজাম শিকদারের ফায়দা হাসিল করেন জমি বিক্রির মহাউৎসবের মাধ্যমে। নিজাম শিকদার তার মেয়ে এমিলার মিশন যেন অসমাপ্ত। নিজাম এমিলার লক্ষ ও উদ্দেশ্য ভিটে মাটি থেকে ঊৎখাত করার।  নিজাম শিকদার তার বিশাল  ব্যবস রয়েছে বলে এলাকায় মানুষকে ফুটিয়ে থাকে। কিন্তুু হঠাৎ টাকা পয়সার মালিক হয়ে ওঠার পর যেন তার ভিতরে আরো এক ভয়ংকর রুপ ধারণ করলো। টাকা দিয়ে সব বিচার করা যায় এই বক্তব্য নিজাম শিকদার প্রায় প্রায় দিয়ে থাকেন।  

নিজাম শিকদার এবং তার মেয়ে নিশাত আফরিন এমিলা নিজেদের অপকর্ম অস্যৎ উদ্দেশ্য এবং প্রতিহিংসা বাস্তবায়নের জন্য অস্ত্র হিসেবে বেছে নিয়েছেন আইনী পেশা আর প্রশাসন। টাকা পয়সার মাধ্যমে একটি মহল তাদের  প্রতিহিংসামূলক অস্যৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে প্রচেস্টা চালাচ্ছে বলে জানা যায়। গত ২৬/০২/২০২৬ হত্যাচেস্টা ও অপহরণের একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি সোনারগাও থানায়। অভিযোগের প্রেক্ষিতে মাঠ পর্যায়ে ঘটনার তদন্ত করতে দায়িত্ব দেওয়া হয় এস আই পারভেজ কে। এস আই পারভেজকে স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা সুমন অপহরণের বিষয়টি বলেন। তারপর এস আই পারভেজ হত্যাচেস্টা করা হয়েছে এমন কিছু ডকুমেন্টস চান। তারপর তাকে সোনারগাও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নেওয়ার রিসিট কপি দেওয়া হয়। তারপর এস আই পারভেজকে বলা হয় এই বিষয়ে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এস আই পারভেজ বলে এই বিষয়ে ওসি সাহেব কি গিযে বলবো যা যা আমি তথ্য পেয়েছি।  পরবর্তিতে এস আই পারভেজ বিবাদিগণের সাথে আলাপ করে বিষয়টি থেকে পিছপা হোন।  এই বিষয়ে সোনারগাও থানার অফিসার ইনচার্জ মহিবুল্লাহর কাছে হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে ফোন করে জানতে চাইলে, তিনি বলেন আইনের ভিতরে যা আছে তা দিয়েই তো হবে। 

সাংবাদিক মাহাবুব বললো, ডকুমেন্টস সব দিয়েছি এখন কেন থানায় মামলা হবে না। ওসি বললেন, এস  আই পারভেজ যদি মনে করেন এটা আইনের ভিতরে পর তাহলে তো বলতো। এস আই পারভেজকে ফোন দিলাম। তিনি বলেন, আপনি কোর্টের সরণাপন্ন হোন। আমি বললাম থানার কাজ কি?  তিনি বলেন আপনি ওসি সাহেবের সাথে কথা বলেন। এভাবেই ছয় নয় করে বিবাদিদের বিষয়ে নীরব ভুমিকা পালন করছে প্রশাসন। জানা নেই কি এমন ম্যাজিক হলো বিবাদিদের সাথে কথা বলার পর। এভাবেই তাদের প্রতিহিংসামূলক অস্যৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের সহায়তা পাচ্ছে বলে ধারণা প্রশাসনের কাছে ঘটনার প্রেক্ষাপটে।  দীর্ঘদিন যাবত সামরিক বাহিনীর পরিচয় প্রদান করে টাকা পয়সা দাবি করছে আমার ভাই হুমায়নের কাছ থেকে ডিজিএফ আই এন এস আই। প্রতিহিংসামূলক অসৎ ঊদ্দেশ্য বাস্তবায়নে চলচিত্র সম্রাট মনোয়ার হোসেন ডিপজল এবং তার কন্যা কি  তাদের সহায়তা করছে কি না তা জানা নেই। তবে যদি অনাকাঙ্খিত কোনো ঘটনা ঘটে তার প্রেক্ষাপটে জানা যেতে পারে কে বা কারা জড়িত। আর যদি টাকা পয়সা অথবা প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় প্রশাসন তাদের পক্ষ নিয়ে কাজ করে তাহলে অনাকাঙ্খিত যে কোনো ঘটনাই জায়েজ নিজাম এমিলার জন্য। দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে একটি চক্র মিডিযার সামনে সাংবাদিকদের সংবাদ প্রকাশকে মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন গুজব এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আখ্যা দিয়ে নিজেদের অপকর্মকে সংবিধানের পবিত্র ধারায় লিপিবদ্ধ করতে চায়। 

টাকা পয়সার মাধম্যে মেডিকেল রিপোর্ট তৈরি করে ধর্ষণের নাটক। মিডিয়ার সামনে মায়া কান্না দিয়ে নিজেকে একজন সাহাবা হিসেবে তুলে ধরতে চায়। আবার কু কর্মের কথা তুলে ধরলে মানহানি। এ ধরণের চক্র যেন কোনো আইনি প্রক্রিয়া এবং আদালত অঙ্গনকে ব্যবহার করতে না পারে সে বিষয়ে সকলকে সজাগ থাকতে হবে।  সাংবাদিকদের যোগ্যতা কলমের কালিতে।  সার্টিফিকেটে নয়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন