সুলতান আল এনাম, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি : ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পাগলাকানাই ইউনিয়নের বাড়িবাথান দেওয়ানবাজার এলাকায় চাঁন মেম্বারের বাড়ি থেকে গাঁজা উদ্ধারের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ঝিনাইদহ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল বুধবার বিকাল আনুমানিক ৫টা ৩০ মিনিটে অভিযান চালিয়ে চাঁন মেম্বারের বাড়ি থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে বলে স্থানীয়ভাবে জানানো হয়। আটক চাঁন মেম্বার শরাফত মন্ডলের ছেলে।
তবে অভিযানের পরপরই উদ্ধারকৃত গাঁজার ওজন তিন কেজি বলে জানানো হলেও পরবর্তীতে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কোন সাংবাদিকদের তথ্য দিতে রাজি নয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা দাবি করেন, উদ্ধারকৃত মাদকের প্রকৃত ওজন আরও কম। উদ্ধার ও পরবর্তী বক্তব্যের এই ভিন্নতায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, উদ্ধারকালে যদি তিন কেজি গাঁজা পাওয়া হয়ে থাকে, তাহলে পরে ওজন কম হওয়ার ব্যাখ্যা কী? উদ্ধারকৃত আলামত সংরক্ষণ ও পরিমাপের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না—তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করছেন অনেকে।
এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য নিতে সাংবাদিকরা গেলে তারা বলেন তথ্য দিতে রাজি নই আমরা। এ বিষয়ে সঠিক তথ্য জানার জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অদিদপ্তর এর সহকারী পরিচালকের সরকারি মুঠোফোন এ কল করলে কল রিসিভ করেনি। এর ওজনের এই তারতম্য নিয়ে তারা স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
