বাঙ্গরায় মাদককারবারী ও ডাকাতরা সংবাদ সম্মেলন করেছে পুলিশের বিরুদ্ধে!


  • মাদকের বিরুদ্ধে  ধর্মমন্ত্রীর জিহাদ ঘোষণা, অপরদিকে গ্রেফতার এড়াতে মাদক কারবারিদের সংবাদ সম্মেলন পুলিশের বিরুদ্ধে! 

স্টাফ রিপোর্টার : মুরাদনগর ও বাঙ্গরাবাজার থানা সূত্রে জানা গেছে, ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের নির্দেশনাদেন মুরাদনগর-বি সার্কেল (এএসপি) কামরুজ্জামান, মুরাদনগর থানা ওসি আনোয়ার হোসেন চৌধুরী ও বাঙ্গরা বাজার থানা ওসি শফিউল আলমকে এলাকায় কোন চোরাকারবারি, ফ্যান্সিডিল,ইয়াবা, হিরোইন, আফিম,মদ গাঁজা মাদকদ্রব্য সেবন ও বিক্রি হবে না। তাদের ঠিকানা জেল হাজতে। সুস্থ সমাজ ফিরিয়ে আনার নির্দেশনায় দুই থানায় চলছে চিরনি অভিযান। ২শ' শতাধিক মাদক কারবারি ও সেবনকারী মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার করা হয়েছে। গত কয়েক মাস ধরে মুরাদনগর উপজেলা মাদকদ্রব্য কারবারিরা বেকায়দা পরে যায়। মাদককারবারী, মাদকবিক্রতা, চাঁদাবাজ ও ডাকাতরা এতে ক্ষিপ্ত হয়ে এএসআই আল আমিনকে বদলীর জন্য একটি সংবাদ সম্মেলন করে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা বাঙ্গরাবাজার থানা ব্রাক্ষণচাপিতলা গ্রামের মৃতঃ মোখলেসুর রহমান ছেলে খবির(৪২)সে মোট ১৪ টি মামলার আসামি যার মধ্যে ৫ টি মাদক মামলা ১ টি অস্ত্র মামলা ৩ টি চাঁদা বাজী মামলা ১ টি ডাকাতি ও ৪ টি মারামারি মামলা। ব্রাক্ষণচাপিতলা গ্রামের আলাউদ্দিন ওরফে আল আমিনের ছেলে নাছির(২৮) এর রয়েছে 

১ টি মাদক মামলা ও ১ টি সড়ক দুর্ঘটনার মামলা। ব্রাক্ষণচাপিতলা গ্রামের কবির হোসেন ছেলে মো: আলমগীর (৪০)  এর ১ টি মাদক মামলা। এবং ব্রাক্ষণচাপিতলা গ্রামের কবির হোসেন ছেলে নাসির(৩৩) এর বিরুদ্ধে মুরাদনগর থানায় ১ টি মামলা রয়েছে। পুলিশের খাতায় তালিকাভূক্ত মাদকদ্রব্য সেবন ও বিক্রি অভিযোগ রয়েছে।

এই চারজন সম্প্রতি কোম্পানীগঞ্জ বাজারে একটি রেস্তোরাঁয় বাঙ্গরাবাজার থানার এএসআই আল-আমীনকে থানা থেকে বদলীর জন্য সংবাদ সম্মেলন করেন।

মুরাদনগর -বি সার্কেল (এএসপি) কামারুজ্জামান বলেন,মুরাদনগর উপজেলায় সুস্থ সমাজ ফিরিয়ে আনতে চোর, ডাকাত, চোরাকারবারি ও মাদকাসক্ত ও বিক্রেতা থাকবে না। এদের ঠিকানা জেল হাজতে। দুই শতাধিক মাদকাসক্ত, বিক্রেতা ও চোর ডাকাত গ্রেফতার করেছি। অভিযান অব্যাহত আছে ও থাকবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন