কুমিল্লায় কোতয়ালী পুলিশের পৃথক অভিযানে গাঁজা-ইয়াবা-ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৮


সৌরভ মাহমুদ হারুন : কুমিল্লায় কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে ১৪ কেজি গাঁজা, ১০০ পিস ইয়াবা ও ১০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এসব ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে মাদক সংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধে আরও চারজনকে গ্রেপ্তারের পর মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেককে ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ১৬ আগস্ট  কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশে থানার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে কোতয়ালী মডেল থানাধীন ৬ নম্বর জগন্নাথপুর ইউনিয়নের বারপাড়া সাকিনে রোকেয়া হাসপাতাল সংলগ্ন বন্ধু সার্ভিস সেন্টারের সামনে পাকা রাস্তা থেকে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ **মোঃ মানসু মিয়া (৭০)**কে গ্রেপ্তার করা হয়।

একই ইউনিয়নের বিবির বাজার উইলেন্ট ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল জোনের সামনে পাকা রাস্তা থেকে ১০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দিলীপ সাহাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ছাড়া ৫ নম্বর পাঁচথুবী ইউনিয়নের জালুয়াপাড়া থেকে রাচিয়াগামী সড়কে পাঁচথুবী ইউনিয়ন পরিষদের পূর্ব দিকে তিন রাস্তার মোড় কালভার্ট সংলগ্ন পাকা রাস্তা থেকে ৪ কেজি গাঁজাসহ মোঃ রাফিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অপর একটি অভিযানে কোতয়ালী মডেল থানাধীন নন্দির বাজার এলাকা থেকে ১০ কেজি গাঁজাসহ সাগর চন্দ্র দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের দাবি, পৃথক এসব অভিযানে মোট ১৪ কেজি গাঁজা, ১০০ পিস ইয়াবা ও ১০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করে তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

এদিকে ১৭ আগস্ট কোতয়ালী মডেল থানা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মাদক সংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধে আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মোঃ কাইয়ুম ভূইয়া, পিতা-আব্দুল হান্নান ভূইয়া, সাং-বিজোড়; মোঃ ফিরোজ হোসাইন, পিতা-মানিক মিয়া; বিল্লাল হোসেন, পিতা-মৃত কালু মিয়া, উভয় সাং-বিষ্ণপুর; এবং মোঃ চারু মিয়া, পিতা-মৃত আব্দুর রশিদ, সাং-চাঁনপুর। তাদের সবার থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা।

পরে গ্রেপ্তার চারজনকে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ৪র্থ আদালত, কুমিল্লায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য সোপর্দ করা হয়। শুনানি শেষে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাদের প্রত্যেককে ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদক নির্মূল ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন