এসএম মিরাজ হোসাইন টিপুঃ
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট ও ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৯ জন দগ্ধ হয়েছে।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) দিবাগতরাত সাড়ে ৩টার দিকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ ১ নং ওয়ার্ড সি আই খোলা আবাসিক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
উক্ত বিস্ফোরণের ঘটনাটি বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট ও ফ্রিজের কম্প্রেসার থেকে ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করেছেন সিদ্ধিরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোঃ মিরণ মিয়া।
বিস্ফোরণে দগ্ধরা হলেন, ১/ তাহেরা বেগম (৬৫), ২/ হাসান মিয়া (৩৭), ৩/ সালমা বেগম (৩০), ৪/ মুনতাহা (১১), ৫/ জান্নাত (৪), ৬/ রাইয়ান (১ মাস), ৭/ আসমা বেগম (৩৫), ৮/তিসা (১৬), ও ৯/আরাফাত (১৩)।
স্থানীয়রা জানান, নাসিক এর সিদ্ধিরগঞ্জ ১ নং ওয়ার্ড সি আই খোলা পাইনাদি এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা জাকির খন্দকারের ভাড়াটিয়া বাড়ির একটি রুমের ফ্রিজের বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের সমস্যা থেকে ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরিত হলে, সেখান থেকে পাশের রুমগুলোতে আগুন ছড়িয়ে পরলে মুহূর্তের মধ্যেই একই পরিবারের ৯ জন দগ্ধ হন।
স্টেশন অফিসার মোঃ মিরণ মিয়া জানান, আমরা খবর পাওয়ার সাথে সাথেই ঘটনাস্থলে পৌছাই, কিন্তু গিয়ে দেখতে পেয়েছি যারা দগ্ধ হয়েছেন তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
তিনি আরোও জানান, বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট ও ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরণের কারণে এই ঘটনা ঘটেছে, নাকি অন্য-কোনো কারণ রয়েছে তদন্তের মাধ্যমে সঠিক কারণ জানানো হবে।
অগ্নিদগ্ধদের এলাকার কয়েকটি স্থানীয় হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে, পরবর্তীতে তাহেরা বেগমকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং বাকী ৮ জনকে জাতীয় বার্ন ইউনিট এবং প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
অগ্নিদগ্ধ তাহেরার ছোট বোন মরিয়ম বলেন, দগ্ধদের শারীরিক অবস্থা গুরুতর। তারা সবাই কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বারের স্থানীয় বাসিন্দা।
মরিয়ম আরোও জানান যে, দগ্ধ তাহেরা বেগম গত ৩ মাস আগে তার মেয়ের জামাই হাসানের বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন।
এবিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনূর আলম জানান,আমাদের টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে দগ্ধদের পায়নি। প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি ফ্রিজের শর্টসার্কিটের কারণে কম্প্রেসার বিস্ফোরিত হয়েছে।
প্রকৃত ঘটনার সত্যতা খুঁজে বের করতে অনুসন্ধান চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
