গোলাম রব্বানী-টিটু (শেরপুর প্রতিনিধি) : শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় ঐতিহ্যবাহি ময়মনসিংহ বন বিভাগের আওতায় রাংটিয়া রেজ্ঞের গারো পাহাড়টিতে বিগত ২০ বছরে অবৈধ ভাবে বালু পাথর উত্তোলন করার ফলে ক্ষত বিক্ষত হয়ে ন্যাড়া পাহাড়ে পরিণত হয়েছে । পাহাড় দিয়ে বয়ে যাওয়া বিভিন্ন ঝর্ণা,খাল ও নদীর তীরবর্তী এলাকায় অবৈধ ভাবে চলে আসছে বালু ও পাথর উত্তোলন । ফলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে পাহাড়ের সবুজ ঘেরা সৌন্দর্য মনোরম দৃশ্য বিলীন হয়ে গেছে । উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সিদ্বান্ত মোতাবেক বারবার ভ্রাম্যমান আদালত ও অভিযান পরিচালনা করা হলওে তা বন্ধ হয়নি । বালু ও পাথর খেকোরা বিগত ২০ বছর অবৈধ ব্যবসা করে কোটিপতি বনে গেছে । তাদের হুমকি ধামকির ভয়ে কেহ মুখ খুলতে সাহস পেত না । বনের এক শ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীরা অর্থের লোভে এই গারো পাহাড় ধবংসের দারপ্রান্তে নিয়ে গেছে । গজনি ফরেষ্ট বিটে জব্দকৃত অবৈধ বালু পাথরের স্তপ এখনও দেখা যায় নামমাত্র । পাহাড়ের বাকাকুড়া,তাওয়াকুচা, বালিজুরি, গজনি, গান্দিগাও , ছোট গজনি, বড় গজনি সহ অন্যান্য এলাকায় বিগত ২০ বছরে সিন্ডিকেট করে চলছে এ অবৈধ ব্যবসা । কিছু মামলা হলেও গডফাদাররা রহস্যজনক কারণে ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকেছে। এ ব্যাপারে আজ গজনী বিট কর্মকর্তা সালেহীন জানান সরকার পতনের পর একটি চক্র বন ধবংসের জন্যে উৎ পেতে ছিল তা কোঠর হস্তে দমন করা চেষ্টা ও মামলা করা হয়েছে । প্রশাসনের চোখকে ফাকিঁ দিয়ে গারো পাহাড়ে বালু ও পাথর উত্তোলন চললেও তা খবর পেলে জরুরী ভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় । নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল আমীন যোগদান করেই জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমানের নির্দেশে গারো পাহাড়ে দৃষ্টি রাখে । পাহাড় রক্ষায় অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনে কঠোর অভিযান চালিয়ে জেল সহ বালুর গাড়ি আটক করতে সক্ষম হন । মাহে রমজানের ইফতার ও সেহরির সময় বালু পাচারের একটি মক্ষম সময় থাকায় বালু খেকোরা চুরি করে বালু পাচার করার সময় গতকাল বুধবার ইফতারের সময় অভিযান চালিয়ে ইউএনও বালুর ট্রলি আটক করেন । ইউএনও আল আমীন জানান বালুর ব্যাপারে কঠোর হুশিয়ারি প্রদান করেছি । যেই এর সাথে জড়িত থাকবে তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো । ২৪ ঘন্টার মধ্যে যে কোন সময় অভিযান চলবে পাহাড় খেকোদের সাথে কোন আপোষ নয় আইন প্রয়োগ করা হবে বলে জানান।
Tags
শেরপুর