শুক্রবার (১মে) সকাল ৯টায় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের সাইনবোর্ড এলাকায় এই র্যালী ও শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যান ফেডারেশন, নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ রিদওয়ানুল আযীমের সঞ্চালনায় উক্ত র্যালী ও শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যাপক হারুনুর রশিদ এবং প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ জেলার আমির আলহাজ্ব মমিনুল হক সরকার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের নারায়ণগঞ্জ জেলার অর্থ সম্পাদক মোঃ আব্দুর রহমান, সাবেক নারায়ণগঞ্জ জেলা সাধারণ সম্পাদক আমিন আহমেদ মাস্তান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ফতুল্লা উত্তরের আমির গাজী আবুল কাশেম, নারায়ণগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর কর্ম পরিষদ ও সূরা সদস্য মাওঃ মজিবুর রহমান মিয়াজী, ঢাকা দক্ষিন অঞ্চলের দপ্তর সম্পাদক ও অঞ্চল পরিচালক নুরুল আমিন, নারায়ণগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী মোঃ হাফিজুর রহমান।
উক্ত র্যালী ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যাপক হারুনুর রশিদ খান বলেন, পহেলা মে শুধু পালন করলে হবে না বিশ্বের সকল কর্মজীবী শ্রমিকদের সবধরনের ন্যায্য অধিকার এবং দাবি মেনে নিয়ে তা বাস্তবায়ন করতে হবে। কর্মজীবী শ্রমিকদের জীবনের নিরাপত্তা, চাকরি ও তাদের নির্ধারিত সঠিক কর্মঘণ্টা সহ ন্যায্য মজুরির নিশ্চয়তা দিতে হবে।
তিনি আরোও বলেন, বর্তমানে শ্রমিকরা অর্ধাহার ও অনাহারে জীবন অতিবাহিত করছে অথচ দেশের পুলিশ প্রশাসন, সেনাবাহিনী থেকে শুরু করে রাস্ট্রীয় সকল উচ্চ পদস্থ কর্তা ব্যক্তি যাদের অর্থের কোনো রকম অভাব নাই, তারা রেশন পায় কিন্তু সাধারণ দিনমজুর ও খেটে খাওয়া শ্রমিকদের জন্য কোনো ধরনের রেশনিং পদ্ধতি চালু নাই।
শ্রমিকদের জন্য রেশনিং পদ্ধতি চালু করতে হবে, বিনামূল্যে চিকিৎসা দিতে হবে, শ্রমিকদের সন্তানদের বিনামূল্যে শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে, শ্রমিকদের জন্য মানসম্মত আবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।
প্রধান বক্তা আলহাজ্ব মমিনুল হক সরকার বলেন, সকল কর্মজীবী শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিতের জন্য ইসলামী শরীয়া শ্রমনীতির কোনো বিকল্প নেই। আমাদেরকে অবশ্যই এদেশে ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়ন করতে হবে। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কর্মজীবী শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের এই সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে এবং আমৃত্য লড়াই ও সংগ্রামের মধ্যমে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এটাই হউক আমাদের পহেলা মে/ আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের অঙ্গিকার।
