কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং-এর মূল প্রবন্ধ, অংশ নিলেন জনপ্রতিনিধি, কূটনীতিক ও ব্যবসায়ী নেতারা
নিউইয়র্ক , ৩০ জুলাই ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে ইউ.এস.-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ইউএসবিসিসিআই) -এর উদ্যোগে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হলো “Celebrating 250 Years of Service & Beyond – America 250” শীর্ষক এক মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠান।
নিউইয়র্কের ডাবলট্রি বাই হিলটন লা গার্ডিয়া এয়ারপোর্ট-এ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং (নিউইয়র্কের ৬ষ্ঠ কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট) Keynote Speaker হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে ফেডারেল, স্টেট ও স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, ব্যবসায়ী নেতা, উদ্যোক্তা, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ, পেশাজীবী এবং প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তব্যে ইউএসবিসিসিআই-এর প্রতিষ্ঠাতা, প্রেসিডেন্ট ও সিইও মো. লিটন আহমেদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছরের এই ঐতিহাসিক পথচলা স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, আইনের শাসন, বহুত্ববাদ ও জনসেবার মূল্যবোধের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণে ইউএসবিসিসিআই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং তাঁর বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা বার্ষিকীর তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং বহুসাংস্কৃতিক সমাজ গঠনে অভিবাসী জনগোষ্ঠীর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির অর্থনৈতিক, সামাজিক ও নাগরিক অবদানকে স্বীকৃতি দিয়ে দুই দেশের জনগণের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, কমিউনিটি নেতা এবং সংগঠনকে America 250 Leadership & Service Awards প্রদান করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছাবার্তা, প্রোক্লেমেশন এবং বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে মো. লিটন আহমেদ কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং, উপস্থিত সম্মানিত জনপ্রতিনিধি, কূটনীতিক, অতিথিবৃন্দ, স্পন্সর, স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার, ইউএসবিসিসিআই-এর পরিচালনা পর্ষদ, স্বেচ্ছাসেবক, গণমাধ্যমকর্মী এবং সকল অংশগ্রহণকারীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, “এই আয়োজন শুধু যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা বার্ষিকী উদযাপন নয়; এটি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আমরা বিশ্বাস করি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়নের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আগামী দিনে আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।”
ইউএসবিসিসিআই জানায়, ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ব্যবসায়িক সহযোগিতা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধিতে আন্তর্জাতিক মানের এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।


