অবৈধ উচ্ছেদ অভিযানে বিএনপি সমর্থিত দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জ শিমরাইল মোড়ে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসন ও পুলিশের যৌথ অংশগ্রহণে উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের উপস্থিতিতেই বিএনপি সমর্থিত দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
রোববার সকাল ১১.৩০ ঘটিকার সময় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ চিটাগাং রোড শিমড়াইল মোড় এলাকায় যানজট নিরসনের লক্ষ্যে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উল্লেখ্য যে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের চিটাগাং রোড শিমড়াইল রেন্ট-এ কার স্ট্যান্ড থেকে ডাচ্-বাংলার মোড় পর্যন্ত সড়ক ও জনপদের অধিগ্রহণ কৃত জায়গা ও ফুটপাত অবৈধভাবে দখল করে অস্থায়ীভাবে মার্কেট ও দোকানপাট নির্মাণ করে প্রতিনিয়তই যানজট সৃষ্টি করে জনসাধারণ ও পথচারীদের সীমাহীন সমস্যা ও দুর্ভোগ নিরসনে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে সড়ক ও জনপদ বিভাগের পূর্বনির্ধারিত সময়ে উচ্ছেদ অভিযানের পূর্বে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম রবির ছেলে, যুবদল নেতা রিয়াজুল ইসলাম রিনাজ, রতন, তানিম ও রানাসহ ১০-১৫ জনের একটি দল এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মহড়া দিচ্ছিলো, এ সময় প্রতিপক্ষ অন্য একটি গ্রুপের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বাধলে, পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে পরে, ঘটনাস্থলেই পুলিশ লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
রোববার সকাল ১১ ঘটিকায় শিমরাইল মোড়ে অবৈধ দখলদার ও হকারদের উচ্ছেদে অভিযান শুরু করে সড়ক ও জনপদ বিভাগ ও নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার সৌমিত রাজা ও মাহমুদুল হাসান।
এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে খন্দকার সৌমিত রাজা বলেন, অবৈধভাবে ফুটপাত দখল করে জনসাধারণ ও পথচারীদের দুর্ভোগ ও যানজট সৃষ্টিকারীদের কোনো অবস্থাতেই ছাড় দেয়া হবেনা। অবৈধভাবে ফুটপাত দখল ও যানজট সৃষ্টিকারী হকারদের বিরুদ্ধে এই ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চলমান থাকবে বলে তিনি ঘোষণা দেন।
বিশেষ করে দেশের অন্যতম যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড থেকে কাঁচপুর পর্যন্ত যেকোনো ধরনের অবৈধ স্থাপনা, দোকান, মার্কেট ও হকার মুক্ত রাখতে সড়ক ও জনপথ বিভাগ সহ নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন সর্বদাই সচেতন রয়েছে ও ভবিষ্যতেও থাকবে বলে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন।
পরে এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পক্ষ থেকে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
