![]() |
| প্রতীকী ছবি |
মালিকুজ্জামান কাকা : যশোর শহরের রেলগেট পশ্চিম পাড়ায় নালিসী জমিতে তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে যশোর সদর সহকারী ভূমি কর্মকর্তা এসি ল্যান্ড মোঃ শামীম হোসাইন তদন্তটি সম্পন্ন করেছেন।
এ সময় সেখানে ছিলেন সদর উপজেলা ভূমি অফিসের প্রধান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক বড় বাবু শাহাদত হোসেন।
ঘটনাস্থলে বাদি বিবাদী উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও বিবাদীর পক্ষে এডভোকেট শাহজাহান কবীর বিপ্লব উপস্থিত ছিলেন। আরো উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক মিজানুর রহমান, মালিকুজ্জামান কাকা, মহসিন মিয়া প্রমুখ।
মামলাটি করেছেন যশোর শহরের রেলগেট পশ্চিম পাড়ার আলোচিত সেই ভূমিদস্যু চক্রের সদস্য ইসলাম বাদি হয়ে। বাদি মৃত অলি মোহাম্মদের ছেলে। মামলাটির তদন্তে দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা হলেন যশোর সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি ) মোঃ শামীম হোসাইন।মামলার আসামিরা হলেন, রেলগেট পশ্চিম পাড়ার মৃত সেকেন্দার আলীর ছেলে আব্দুর রাজ্জাক, ঢাকা কেরানিগঞ্জের মরহুম নুর উদ্দীনের ছেলে সালাউদ্দীন টিঙ্কু, টিঙ্কুর বোন পারভীন সুলতানা। বাদি অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত কতোয়ালি যশোরে মামলা করেছেন। নম্বর সি আর ৪৯২৭/২৫। ২১ এপ্রিল বিকেল সাড়ে তিনটায় বাদি বিবাদী উভয় পক্ষকে নালিসী জমির উপর হাজির হতে নোটিস জারি করা হয়। স্মারক নম্বর ৩২. ৪৪. ৪১৪৭. ০০০. ৯৯. ০০৪. ২৪-৭৫৮। তারিখ ১৫/০৪/২০২৬।
জমি সংক্রান্ত অনেক মামলা হয়েছে। সি আর ১৯৫৫/২৩ যার বাদি ইসলাম, সি আর ২৪৭৩/২৩ বাদি লালবাবু, নাশি ৯১৮/২৪ বাদি ইসলাম, জজ কোর্ট ১এ ৪৬৫/১৯ বাদি ইয়াসমিন, সি আর ২৩২৫/২৫ বাদি মুন্নি।
মামলার আসামি রেলগেট পশ্চিম পাড়ার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, জমি সংক্রান্ত অন্তত ৪০টি মামলায় তাকে আসামি করেছে আবুল বাসার গঙ। এই বাদি, তার স্যালক লাল বাবু, আব্দুস সালাম, ইসলাম , স্ত্রী মুন্নি, শালী গুলশান, রোজিনা, শাশুড়ি আনোয়ারা। এরা সবাই ওয়ালী মোহাম্মদের স্ত্রী, জামাই, ছেলে ও মেয়ে। তবে এর বাইরেও প্ররোচিত করে অনেক কে দিয়ে বাসার গঙ তার, ছেলে এবং জমি মালিকদের নামে একের পর এক মামলা দিয়ে হয়রানি করেই যাচ্ছে। পি ৮৭৪/২৫, সি আর ২৩২৩/২৬, সি আর ১৪২৯/২৩, সি আর ১১৯৯/২৩, সি আর ১০৫০/২৩, সি আর ১১৩৯/২৩, সি আর ১৫১৪/২৩, সি আর ১৯৫৫/২৩ এবং ১৪৫৮/২৫ যার বাদি লালবাবু। মূলত ৭৭নং চাঁচড়া মৌজায় ৫৫৩ নং দাগে ২২ শতক জমির মালিক সাবেক ব্যাটা ম্যানেজার নুর উদ্দীন। তার স্ত্রী ছেলে মেয়েরা আব্দুর রাজ্জাকের নামে পাওয়ার দিয়েছেন। আদতে এসব জমি বিক্রীত। আর যারা জমি মালিক নিজেদের দাবি করেন তারা ঐ জমির ওয়ারেসও নন। জমি মালিকদের জমি বিক্রি কখনো অবৈধ ঘোষণা করেনি আদালত।
