নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে সলিমাবাদ ও দপ্তিয়র ইউনিয়নের কালিগঙ্গা ও যমুনা নদীতে জিও ব্যাগ দিয়ে অস্থায়ী বাধের কাজ চলছে। দিনব্যাপী দপ্তিয়র ও সলিমাবাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন স্পর্টে ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন স্থানীয় সাংসদ রবিউল আওয়াল লাভলু।
শনিবার (৪জুলাই)বিকেলে উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের দপ্তিয়র পশ্চিম খন্ড,বাক কাটারী,ছিটকি বাড়ী দক্ষিণ খন্ড ও ছিটকি বাড়ী খেয়া ঘাট ও সলিমাবাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন স্পর্ট এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় তিনি ভাঙ্গন কবলিতো এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলেন।
এলাকা বাসী সাংসদকে জানান, আরো কিছু এলাকায় জিও ব্যাগ ফেললে জনগন আরো উপকৃত হতো। জনগন কে আস্বস্ত করে রবিউল আওয়াল লাভলু এম পি বলেন, বর্তমানে ৪টি পয়েন্টে মোট ৮৬০ মিটার এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলার কাজ চলমান রয়েছে।
আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলে আর কিছু ভাঙ্গন এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলার ব্যবস্থা করবো।
তার কথায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন নদী পাড়ের মানুষ।
স্থানীয় মাইন উদ্দিন(৬০)বলেন,গত ১৬/১৭ বছর আমরা কিছুই পাইনি প্রতি বছরই আমাদের বাড়ী ঘর সরাতে হয় এই নদী ভাঙ্গনের কারনে। এ বছর নদী ভাঙ্গনের শুরুতেই জিও ব্যাগ ফেলায় আশা করছি কিছু টা হলেও নদী ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পাবো।তবে আমাদের এখানে স্থায়ী বাধ দরকার।
পরিশেষে ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন কালে স্থানীয় সাংসদ রবিউল আওয়াল লাভলু বলেন, নাগরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় জরুরী ভিত্তিতে ভাঙ্গন করলেতো রোধে কাজ করছেন সরকার। বর্তমান (বিএনপি) সরকার এই নদীতে স্থায়ী বাধের ব্যবস্থা করবে ইনশাআল্লাহ।
এ সময় তার সফর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক নাজমুল হক স্বাধীন,শ্রমিক দলের সভাপতি মো.আরিফুল ইসলাম নবা,সিনিয়র সহ-সভাপতি মো.আলতাফ হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন-আহবায়ক মো.নুরুজ্জামান রানা, দপ্তিয়র ইউনিয়ন বিএনপি'র সাধারন সম্পাদক বাবুল আক্তার,সহ-সভাপতি জিল্লুর রহিম সহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
