মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন 


নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন ২ নং ওয়ার্ডস্থ সানারপাড় বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন  এলাকায় বাউল গানের আসরকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী  হামলা, ভাঙচুর, মারধর ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলাকে ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন অত্র এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ জসিম।

বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের ২নং ওয়ার্ডস্থ পূর্ব সাহেবপাড়া এলাকায়  আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মোঃ জসিম দায়েরকৃত মামলাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে মোঃ জসিম বলেন, সানারপাড় বাস স্ট্যান্ড এলাকায় মিজান নামে এক ব্যক্তি নিয়মিত বাউল গানের আসর পরিচালনা করে আসছিলো। ওই বাউল গানের আসরের আড়ালে মাদক বিক্রি ও সাধারণ মানুষকে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়াসহ বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছিলো বলে অভিযোগ করেন তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দারা একাধিকবার এসকল কর্মকাণ্ড বন্ধের চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে, তিনি এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতি ও সহযোগিতায় ওই গানের আসর বন্ধ করে দেন বলে জানান জসিম।

তিনি অভিযোগ করেন, আসর বন্ধ হওয়ার পর একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এমনকি নিজেদের আয়োজিত  বাউলগানের আসরের মালামাল নিজেরাই সরিয়ে ও ভাঙচুর করে এর দায় তাদের ওপর চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ্য যে, তাদেরকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় পতিপন্ন করতেই এ মামলা করা হয়েছে বলে দাবি করেন। 

জসিম আরোও বলেন, আমি একজন সৎ ব্যবসায়ী এবং বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছি। তাই আমার রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এবং নিজেদের ঐসকল অপকর্ম আড়াল করতেই এই ধরনের মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য মামলা করা হয়েছে।

তিনি প্রশাসনের কাছে মামলাটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত ও প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের অনুরোধ জানান। পাশাপাশি ঘটনার প্রকৃত সত্যতা তুলে ধরতে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন। 

অপর দিকে, ২৬ জুলাই সাইনবোর্ড-সানারপাড় এলাকায় বাউল শিল্পীদের একটি অফিসে হামলা, ভাঙচুর, মারধর, হুমকি ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে নারায়ণগঞ্জের আদালতে তামিমা আক্তার বাদী হয়ে একটি কোর্ট পিটিশন মামলা দায়ের করেন। মামলায় আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে বলে উল্লেখ্য করেন।

মামলাটির বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই জেসমিন সরকার জানান, কোর্ট পিটিশন মামলাটি তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা রয়েছে। তাই বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন