মালিকুজ্জামান কাকা : ২৫ জানুয়ারি যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার কীর্তিপুরে ১০ জামায়াত নারীকর্মী হেনস্থা ঘটনাটি সাজানো পূর্ব পরিকল্পিত দাবি করলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির যশোর-২ আসনের প্রার্থী সাবিরা নাজমুল মুন্নী। আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) যশোর প্রেসক্লাব উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, ঝিকর গাছা উপজেলা বিএনপির তথ্য গবেষণা সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম সুমন, উপজেলা যুবদল সভাপতি, প্রয়াত বিএনপি নেতা নাজমুল ইসলামের ছোট ভাই আরাফাত কল্লোল ও সুমাইয়া।
বিএনপি নেতা সাবিরা নাজমুল মুন্নী বলেন ৮৬, যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনের জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী ডাঃ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ এর ২৫ জানুয়ারি সাংবাদিক সম্মেলনে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগের প্রতিবাদে আপনাদের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য ঘটনা তুলে ধরতেই এই সংবাদ সম্মেলন।
জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী ডাঃ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ এদিন যশোর প্রেস ক্লাবে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি শুধুমাত্র ভোট প্রাপ্তির জন্য অপকৌশল অবলম্বন করে এটি করেছেন।
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর অভিযোগ নির্বাচনি প্রচারে মহিলা জামায়াতের নেতা-কর্মীদের উপর সেদিন দুপুরে প্রতিদ্বন্দি ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থীর নেতা-কর্মী সমর্থকেরা অতর্কিত আক্রমণ করে শারীরিকভাবে আহত করেছে। ঝিকরগাছা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের কীর্তিপুর গ্রামের সাধারণ নারীদের কাছে দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের পক্ষে ভোট চাইতে গেলে আমাদের নারী কর্মীদের ওপর নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘণ করে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর কর্মীরা হামলা চালিয়েছে। হামলাকারীরা নারীদের গায়ে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করেছে। তাদের লাঞ্ছিত করেছে। হাতে থাকা মোবাইল ফোন সেট ছিনিয়ে নিয়ে ভাংচুর করেছে। ভাংচুরকৃত মোবাইল ফোন সেট আক্রমণকারীরা নিয়ে গেছে। এমনকি নারীদের সাথে থাকা ভ্যানিটি ব্যাগও ছিনতাই করে নিয়ে গেছে। ব্যাগে টাকা, কাগজপত্র ও মূল্যবান জিনিসপত্র ছিল। এছাড়া নারীদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়েছে। এরপর আবার ভোট চাইতে আসলে জীবন নাশের হুমকি প্রদানও করা হয়েছে।
প্রকৃত ও সত্য ঘটনা এই কল্লোলের মা, স্ত্রী ও বড় ভাবী বাড়িতে থাকা অবস্থায় জামায়াতের কর্মী রাফিজা, নাসিমা, কামরুন্নাহার, তুলি, বিলকিস, জোসনা দাঁড়ি পাল্লার ভোট চাই এবং প্রতি উত্তরে সুমাইয়া ও মুন্নী তাদের বলে যে, এই বাড়ীতে প্রার্থী আছে আপনারা কেন ভোট চাইতে এসেছেন এটা আপনাদের বোকামী হচ্ছে না? তখন জামায়াতে কর্মী বলেন দাঁড়ি পাল্লায় ভোট না দিলে মোনাফেক ও জান্নাত বঞ্চিত হবেন। তবে উক্ত ঘটনার সময় কল্লোল বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না। সে বেলা ১টার দিনে বাড়িতে আসলে তার স্ত্রী ও এমপি প্রার্থী মুন্নীর উক্ত বিষয় সম্পর্কে বললে কল্লোল জামায়াতে কর্মীদের কাছে জানতে চান যে, ভোট না দিলে মোনাফেক বলতে কি বোঝাতে চেয়েছেন বুঝিয়ে বলেন। এরপর দু'একটি কথাকাটির পর সেখানেই বিষয়টি শেষ হয়ে যায়।
জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীর অভিযোগ কল্লোল নির্বাচনী আচারনবিধি লঙ্ঘন করেছে। এছাড়া তিনি যে ফৌজদারী অভিযোগ করেছেন যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। কল্লোল দাবি করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র প্রার্থীর একজন কর্মী হয়ে তিনি কাজ করছেন। এটা জামায়াত প্রার্থীর কর্মীরা মেনে নিতে পারছে না। যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মোছাঃ সাবিরা সুলতানা মুন্নীর আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে নিশ্চিত পরাজয়ের আশঙ্কায় একটি কুচক্রিমহল সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার করছে।
