এমএইচ গ্লোবাল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও পেলেন আজীবন সদস্যপদ
নিজস্ব প্রতিবেদক : এমএইচ গ্লোবাল গ্রুপের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার (সিসিও) জহিরুল ইসলাম (সিআইপি) ব্রিটিশ-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিবিসিসিআই)-এর পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন।
আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যবসা সম্প্রসারণ, কৌশলগত নেতৃত্ব এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তার এ নির্বাচনকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিবিসিসিআইয়ের পরিচালনা পর্ষদে জহিরুল ইসলামের অন্তর্ভুক্তি দুই দেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও জোরদারে ভূমিকা রাখবে।
এদিকে, এমএইচ গ্লোবাল গ্রুপের চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন এ কে এম গোলাম কিবরিয়া (সিআইপি) এবং গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) গোলাম মোর্তজা (সিআইপি)-কে ব্রিটিশ-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আজীবন সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
ব্যবসা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে আন্তঃদেশীয় ব্যবসায়িক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
ক্যাপ্টেন গোলাম কিবরিয়া ও গোলাম মোর্তজার নেতৃত্বে এমএইচ গ্লোবাল গ্রুপ আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে। করপোরেট উৎকর্ষ, নৈতিক সুশাসন এবং টেকসই ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধিকে গুরুত্ব দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাজারে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
পরিচালক নির্বাচিত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় জহিরুল ইসলাম বলেন, “এটি আমার জন্য ব্যক্তিগতভাবে অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত এবং আমাদের পুরো প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।”
তিনি বলেন, “বিবিসিসিআইয়ের পরিচালনা পর্ষদে নির্বাচিত হওয়া বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে সক্রিয়ভাবে অবদান রাখার একটি বড় সুযোগ তৈরি করেছে।”
জহিরুল ইসলাম আরও বলেন, “আমাদের চেয়ারম্যান ও সিইওকে আজীবন সদস্য হিসেবে দেওয়া স্বীকৃতি তাদের দীর্ঘদিনের অবদান এবং দুই দেশের মধ্যে ব্যবসায়িক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে তাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।”
ব্রিটিশ-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং কৌশলগত অংশীদারত্ব বৃদ্ধিতে কাজ করে থাকে।
এমএইচ গ্লোবাল গ্রুপ জানিয়েছে, বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি দুই দেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরিতে প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।